আপনার টাকা আপনার নিয়ন্ত্রণে। d 111-এ যেকোনো সময়, যেকোনো পরিমাণ জমা বা তুলে নিন — কোনো ঝামেলা নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল টাকা তোলার ঝামেলা নিয়ে। কতো মানুষ জিতেও টাকা পাননি, কতো অ্যাকাউন্ট হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে — এই কথাগুলো অনেকের মুখে শোনা যায়। d 111 এই সমস্যাটাকে গোড়া থেকে সমাধান করতে চেয়েছে। আমাদের পুরো পেমেন্ট ব্যবস্থা তৈরিই করা হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে।
বিকাশ, নগদ আর রকেট — এই তিনটি পেমেন্ট মাধ্যম আজ বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি মানুষের মুঠোফোনে। d 111 এই মাধ্যমগুলোকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে যাতে আপনি ঘরে বসেই মুহূর্তের মধ্যে ডিপোজিট করতে পারেন। কোনো ব্যাংকে যেতে হবে না, কোনো কাউন্টারে লাইন দিতে হবে না। শুধু মোবাইলে কয়েকটা ট্যাপ, আর টাকা চলে আসবে সরাসরি আপনার গেমিং ব্যালেন্সে।
উইথড্রয়ালের বিষয়টাও ঠিক একইরকম সহজ। জেতার পরে টাকা তুলতে চাইলে রিকোয়েস্ট দিন — সাধারণত বিকাশ ও নগদে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই আপনার নম্বরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ব্যাংকের ক্ষেত্রে একটু বেশি সময় লাগলেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়। d 111-এর ফিন্যান্স টিম দিনরাত কাজ করে যাতে কোনো উইথড্রয়াল আটকে না থাকে।
আর্থিক নিরাপত্তার দিক থেকেও d 111 কোনো আপোষ করে না। প্রতিটি লেনদেন 256-bit SSL দিয়ে এনক্রিপ্টেড। কোনো তৃতীয় পক্ষ আপনার পেমেন্ট তথ্য দেখতে পাবে না। দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র আপনিই আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবেন।
বিকাশ ও নগদে ডিপোজিট সাধারণত ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে কনফার্ম হয়। পিক আওয়ারেও কোনো বিলম্ব হয় না কারণ আমাদের পেমেন্ট গেটওয়ে অটোমেটেড।
d 111 ডিপোজিট বা উইথড্রয়ালে কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেয় না। আপনি যা ডিপোজিট করবেন, তার পুরোটাই আপনার ব্যালেন্সে যাবে। যা উইথড্রয়াল করবেন, তার পুরোটাই আপনার কাছে আসবে।
রাত ২টায় উইথড্রয়াল দিলেও কোনো সমস্যা নেই। আমাদের পেমেন্ট টিম সপ্তাহের সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করে। কোনো সমস্যা হলে লাইভ চ্যাটে জানান, দ্রুত সমাধান পাবেন।
d 111-এ বর্তমানে যে মাধ্যমগুলো দিয়ে লেনদেন করা যায়
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং। d 111-এ বিকাশ পেমেন্ট সম্পূর্ণ অটোমেটেড, মাত্র কয়েক সেকেন্ডে কনফার্ম হয়।
ডাক বিভাগের নগদ সার্ভিস এখন d 111-এর সাথে যুক্ত। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সহজেই ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করুন।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট সার্ভিসও d 111-এ সাপোর্টেড। রকেট ব্যবহারকারীরা সমান সুবিধায় লেনদেন করতে পারবেন।
বড় পরিমাণ লেনদেনের জন্য সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার। NPSB ও BEFTN উভয় পদ্ধতিই গ্রহণযোগ্য।
মাত্র ৪টি ধাপে d 111 অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিন
জেতা টাকা তুলে নিন — সহজ প্রক্রিয়া, দ্রুত পরিশোধ
d 111-এর প্রতিটি পেমেন্ট পদ্ধতির বিস্তারিত তথ্য
| পেমেন্ট পদ্ধতি | মিনিমাম ডিপোজিট | মিনিমাম উইথড্রয়াল | ডিপোজিট সময় | উইথড্রয়াল সময় | চার্জ |
|---|---|---|---|---|---|
| বিকাশ | ৳১০০ | ৳৩০০ | তাৎক্ষণিক | ৫–১৫ মিনিট | শূন্য |
| নগদ | ৳১০০ | ৳৩০০ | তাৎক্ষণিক | ৫–১৫ মিনিট | শূন্য |
| রকেট | ৳১০০ | ৳৩০০ | ৫–১০ মিনিট | ১৫–৩০ মিনিট | শূন্য |
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ৳৫০০ | ৳১,০০০ | ১–৩ ঘণ্টা | ৬–২৪ ঘণ্টা | শূন্য |
d 111-এ প্রতিটি ডিপোজিটের সাথেই আকর্ষণীয় বোনাসের সুযোগ থাকে। নতুন সদস্যরা প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান, অর্থাৎ ৳১,০০০ ডিপোজিট করলে আপনার ব্যালেন্সে ৳২,০০০ যোগ হয়। এই বোনাস দিয়ে সরাসরি যেকোনো গেমে খেলা যায়।
প্রতি সপ্তাহে রিলোড বোনাসের সুযোগ থাকে। নিয়মিত ডিপোজিটকারীরা বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার পান। ভিআইপি সদস্যরা প্রতি মাসে একটি বিশেষ বোনাস ডিপোজিট পান যা তাদের স্তর ও লেনদেন ইতিহাসের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
ডিপোজিট বোনাসের বিস্তারিত শর্তাবলী জানতে আমাদের নিয়ম ও শর্তাবলী পেজ দেখুন। d 111 সবসময় স্বচ্ছতার সাথে বোনাস প্রদান করে, কোনো লুকানো শর্ত নেই।
মাঝে মাঝে ইন্টারনেট সমস্যা বা পেমেন্ট গেটওয়ের কারণে লেনদেনে বিলম্ব হতে পারে। এই ক্ষেত্রে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। বেশিরভাগ সময় সমস্যা আপনাআপনিই সমাধান হয়ে যায়।
৩০ মিনিটেও সমাধান না হলে d 111-এর লাইভ চ্যাট সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। লেনদেনের রেফারেন্স নম্বর ও স্ক্রিনশট রেডি রাখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম বাংলায় সাহায্য করবে এবং সাধারণত ১ ঘণ্টার মধ্যেই সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়।
ব্যাংক ট্রান্সফারে কোনো সমস্যা হলে ব্যাংকের রেফারেন্স নম্বরসহ ইমেইলে যোগাযোগ করুন। d 111 কখনো কোনো সদস্যের বৈধ উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট বাতিল করে না।
d 111-এ আপনার প্রতিটি টাকা সুরক্ষিত
প্রতিটি লেনদেন ব্যাংক-গ্রেড এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার পেমেন্ট তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে পৌঁছায় না।
জালিয়াতি রোধে d 111 সদস্যদের পরিচয় যাচাই করে। এটা আপনার সুরক্ষার জন্যই, অন্য কারো নয়।
উইথড্রয়ালের সময় OTP যাচাই বাধ্যতামূলক। অন্য কেউ আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবে না।
আপনার আর্থিক তথ্য, লেনদেন ইতিহাস ও ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়। আমাদের গোপনীয়তা নীতি দেখুন।
সন্দেহজনক কার্যকলাপ তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করে ব্লক করা হয়। আপনার অ্যাকাউন্ট সবসময় পর্যবেক্ষণে থাকে।
d 111 আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। নিয়মিত আর্থিক অডিট নিশ্চিত করে যে আপনার টাকা সুরক্ষিত।
d 111-এ প্রথমবার লেনদেন করার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখলে পুরো প্রক্রিয়াটা আরও মসৃণ হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আপনি যে মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করেছেন, সেই নম্বর থেকেই বিকাশ বা নগদ পেমেন্ট করুন। ভিন্ন নম্বর থেকে পেমেন্ট করলে যাচাইকরণে সময় লাগতে পারে।
উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে একটা নিয়ম মনে রাখবেন — ডিপোজিটের পরে ন্যূনতম একবার বেটিং টার্নওভার পূরণ করতে হয়। এটা একটা সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা মানি লন্ডারিং রোধ করে। বেশিরভাগ সদস্য স াধারণ গেমপ্লেতেই এই শর্ত পূরণ করে ফেলেন।
অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার জন্য উইথড্রয়াল শুধুমাত্র নিজের নামের অ্যাকাউন্টে করা যাবে। অন্যের বিকাশ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে উইথড্রয়াল দেওয়া যাবে না। এই নিয়মটা আপনার সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে।
যদি কখনো মনে হয় আপনার অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে, সাথে সাথে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন এবং আমাদের সাপোর্ট টিমকে জানান। d 111 সবসময় আপনার পাশে থাকে।
আর্থিক লেনদেন নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো