d 111-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম শুধু একটা সদস্যপদ নয় — এটা একটা সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত ম্যানেজার থেকে শুরু করে এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট পর্যন্ত, আমাদের ভিআইপি সদস্যরা সবসময় এক ধাপ এগিয়ে থাকেন।
d 111-এ চারটি বিশেষ ভিআইপি স্তর রয়েছে — প্রতিটিতে রয়েছে আলাদা সুবিধা
নতুন ভিআইপি সদস্যদের জন্য আদর্শ। প্রথমবার ভিআইপি স্তরে পা রাখার সেরা সুযোগ।
সবচেয়ে জনপ্রিয় স্তর। নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য সর্বোচ্চ মূল্যমান।
গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের জন্য প্রিমিয়াম সেবা ও বিশেষ সুবিধার সমন্বয়।
d 111-এর সর্বোচ্চ স্তর। সীমাহীন সুবিধা ও রাজকীয় মর্যাদা যারা সত্যিকারের শ্রেষ্ঠত্ব চান তাদের জন্য।
d 111 ভিআইপি সদস্যরা যেসব এক্সক্লুসিভ সুবিধা পেয়ে থাকেন
d 111-এ ভিআইপি স্তরে পৌঁছানো অনেক সহজ
কোন কাজে কত পয়েন্ট পাবেন তার বিস্তারিত তালিকা
| কার্যক্রম | পয়েন্ট | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|---|
| প্রতি ৳১০০ ডিপোজিটে | ১০ পয়েন্ট | ✓ | ✓ | ✓ | ✓ |
| প্রতি ৳১০০ বাজিতে | ৫ পয়েন্ট | ✓ | ✓ | ✓ | ✓ |
| লটারি টিকিট কিনলে | ১৫ পয়েন্ট | ✓ | ✓ | ✓ | ✓ |
| বন্ধুকে রেফার করলে | ৫০ পয়েন্ট | ✓ | ✓ | ✓ | ✓ |
| দৈনিক লগইন বোনাস | ৩ পয়েন্ট | ✓ | ✓ | ✓ | ✓ |
| টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ | ২৫ পয়েন্ট | — | ✓ | ✓ | ✓ |
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে ভিআইপি প্রোগ্রামের কথা অনেকেই শুনেছেন, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় এগুলো শুধু কাগজে-কলমে সুন্দর। বাস্তবে গিয়ে হয়তো কিছুই পাওয়া যায় না। d 111 সেই ধারা ভেঙে দিয়েছে। এখানে ভিআইপি মানে শুধু একটা লেবেল নয় — এটা একটা সম্পূর্ণ আলাদা স্তরের সেবা যা আপনি প্রতিদিন অনুভব করতে পারবেন।
ধরুন আপনি রাত ২টায় একটা উইথড্রয়াল করতে চাইছেন। সাধারণ সদস্য হলে হয়তো সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো। কিন্তু d 111-এর গোল্ড বা তার উপরের স্তরের ভিআইপি সদস্য হলে সেই উইথড্রয়াল রাতের মধ্যেই প্রসেস হয়ে যাবে। কারণ ভিআইপি সদস্যদের রিকোয়েস্ট সবসময় অগ্রাধিকার পায়।
আবার ধরুন, আপনি কোনো বিশেষ বোনাস পেতে চাইছেন যেটা সাইটে দেখা যাচ্ছে না। প্লাটিনাম বা ডায়মন্ড সদস্য হলে আপনার ব্যক্তিগত ম্যানেজারকে সরাসরি জানান — তিনি আপনার জন্য কাস্টম অফার তৈরি করে দেবেন। d 111-এ ভিআইপি মানে আক্ষরিক অর্থেই ব্যক্তিগত মনোযোগ।
d 111-এর ভিআইপি ক্যাশব্যাক সিস্টেম বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং জগতে সবচেয়ে স্বচ্ছ এবং সরল। প্রতি সপ্তাহে আপনার মোট বাজির একটি নির্দিষ্ট অংশ ক্যাশব্যাক হিসেবে ফিরে আসে। জিতলে বা হারলে — যেকোনো পরিস্থিতিতেই এই ক্যাশব্যাক প্রযোজ্য। তাই ভিআইপি সদস্যরা কখনো সম্পূর্ণ খালি হাতে থাকেন না।
সিলভার স্তরে ৫% ক্যাশব্যাক মানে — আপনি যদি সপ্তাহে ৳১০,০০০ বাজি দেন তাহলে ৳৫০০ ফেরত পাবেন। গোল্ডে ১০%, অর্থাৎ ৳১,০০০। আর ডায়মন্ড স্তরে ২৫% মানে ৳২,৫০০ সরাসরি ওয়ালেটে। এই পরিমাণটা সময়ের সাথে বেশ বড় অঙ্কে পরিণত হয়।
d 111-এর ভিআইপি টুর্নামেন্টগুলো সাধারণ প্রতিযোগিতার মতো নয়। এখানে সীমিত সংখ্যক অংশগ্রহণকারী থাকেন, তাই জেতার সম্ভাবনা অনেক বেশি। পুরস্কার পুলও থাকে বড় — গোল্ড টুর্নামেন্টে সর্বনিম্ন ৳৫ লাখ, আর ডায়মন্ড টুর্নামেন্টে কোটি টাকার বেশিও হতে পারে। প্রতি মাসে অন্তত দুটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয় শুধু ভিআইপিদের জন্য।
এই টুর্নামেন্টগুলোতে অংশ নিতে কোনো অতিরিক্ত ফি লাগে না। ভিআইপি সদস্য হলেই আমন্ত্রণ পাবেন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ম্যানেজার বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়। মিস করার সুযোগ নেই।
d 111 তার ভিআইপি সদস্যদের শুধু ডিজিটাল বোনাস দিয়েই সন্তুষ্ট রাখে না। জন্মদিনে বিশেষ সারপ্রাইজ, ঈদে এক্সট্রা বোনাস, এবং প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য মাসিক উপহার প্যাকেজ পাঠানো হয়। এই উপহারগুলো আগে থেকে ঘোষণা করা হয় না — তাই সবসময় একটা বিস্ময়ের অনুভূতি থাকে।
অনেক সদস্যই বলেছেন যে d 111-এর ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দেওয়ার পর তাদের গেমিং অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। শুধু টাকা জেতার বিষয় নয় — পুরো প্রক্রিয়াটা উপভোগ করা যায়। সঠিক সাপোর্ট, সঠিক সময়ে সঠিক অফার এবং একটা পরিচিত মুখের (ম্যানেজার) সাথে সম্পর্ক — এগুলো মিলিয়েই d 111 ভিআইপি অভিজ্ঞতা তৈরি হয়।
ভিআইপি প্রোগ্রাম নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত।
d 111-এর ভিআইপি সদস্যদের বাস্তব অভিজ্ঞতা
d 111 ভিআইপি প্রোগ্রাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো